সুনামগঞ্জ , রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬ , ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পুশইনে মরিয়া বিএসএফ, সীমান্তে উত্তেজনা মে মাসে গণপিটুনি ও সহিংসতায় নিহত ৩১, ধর্ষণের শিকার ৮৩ নারী ও শিশু বাদাম চাষে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়ালেও ফলন নিয়ে শঙ্কা জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবীকে ছাড় দেওয়া হবে না ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের তালিকায় অনিয়ম, ক্ষোভে ফুঁসছেন বঞ্চিতরা টাঙ্গুয়ার হাওরে নিভে গেল ছোট্ট সৌম্যতার জীবনপ্রদীপ তাহিরপুরে ঈদ পুনর্মিলনী ও আলোচনা সভায় এমপি কামরুল মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে অন্য কোনও ঘটনার তুলনা হয় না : মির্জা ফখরুল শিশুর হাতে স্মার্টফোন : আশীর্বাদ না অভিশাপ? হাওরের জন্য ৫০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দের দাবি টাঙ্গুয়ার হাওরে উজাড় হচ্ছে হিজল-করচ বাগ সাম্রাজ্যবাদী ও দেশবিরোধী সব চুক্তি বাতিলের দাবি “সমন্বয়কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন হান্নান মাসউদ” গুপ্ত ছিলাম, বাইরে যাইনি, ভবিষ্যতেও পালাবো না : জামায়াত আমির প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২৬ জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ হলেন যাঁরা বিদ্যুতের দাম বাড়লো দুই বছরে নিঃস্ব হয়ে ফিরেছেন ২১৫ জন তিন মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৩১৪৮৭ কোটি টাকা মা-বাবার পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত তোফায়েল আহমেদ

গ্রামপুলিশের ন্যায্য দাবি পূরণ হোক

  • আপলোড সময় : ১২-০৮-২০২৫ ০৮:১৫:৩৪ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১২-০৮-২০২৫ ০৮:১৫:৩৪ পূর্বাহ্ন
গ্রামপুলিশের ন্যায্য দাবি পূরণ হোক
“দিন-রাত মানুষের নিরাপত্তা দিই, কিন্তু নিজের সংসারটা নিরাপদ রাখতে পারি না” - এ কথা শুধু একজন গ্রাম পুলিশের নয়, এটি গোটা বাহিনীর নিঃশব্দ আর্তনাদ। তারা পাহারা দেয় আমাদের ঘর, রক্ষা করে আমাদের প্রাণ, কিন্তু তাদের নিজের ঘরে অভাবের হাহাকার। মাসের শেষ দিকে অনেকের ঘরে চুলা জ্বলে না, সন্তানের মুখে হাসি ফুটে না, স্কুলের খাতাপত্র কিনে দেওয়াও হয়ে যায় এক দুঃস্বপ্ন। আমরা শহরে নিরাপদে ঘুমাই, কারণ দূরের কোনো গ্রামে ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে একদল মানুষ অন্ধকার রাতে টহল দেয়। কিন্তু সেই প্রহরীরা-দফাদার, মহল্লাদার - যখন মাস শেষে হাতে পান ৮ হাজার বা ৭ হাজার ৫০০ টাকা, তখন সেই টাকা দিয়ে সংসার চালানো একপ্রকার অসম্ভব। এটি কি তাদের প্রাপ্য সম্মান? বছরের পর বছর তারা জাতীয় বেতন স্কেলের অন্তর্ভুক্তির দাবি জানিয়ে আসছে। ১৯তম ও ২০তম গ্রেডে উন্নীত করার কথা বলছে। কিন্তু এই দাবি যেন বালুর নিচে চাপা পড়ে থাকে, কেউ শোনে না। অথচ গ্রাম পুলিশদের ছাড়া গ্রামীণ আইন-শৃঙ্খলার চাকা এক মুহূর্তও সচল থাকতে পারবে না। তারা অপরাধ প্রতিরোধ করে, চুরি-ডাকাতি ঠেকায়, বিরোধ মেটায়, এমনকি দুর্যোগের সময় উদ্ধারকাজেও থাকে সামনের সারিতে। গ্রাম পুলিশের জীবন শুধু একটি চাকরি নয়, এটি এক ধরনের ত্যাগ। আমরা যদি চাই, দেশের প্রতিটি গ্রামের নিরাপত্তা বলয় শক্ত হোক, তাহলে সেই বলয় রক্ষাকারী মানুষগুলোকে আগে নিরাপদ করতে হবে। এখনই সময় এই প্রহরীদের চোখের জল মুছে দেওয়ার। জাতীয় বেতন স্কেলে অন্তর্ভুক্তি ও প্রাপ্য মর্যাদা দিয়ে তাদের জীবনে আলো ফিরিয়ে আনাই হবে প্রকৃত উন্নয়ন, প্রকৃত কৃতজ্ঞতা।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স